how to write blog post

লেখালেখির যত উপায় আছে বর্তমান বিশ্বে ব্লগ হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখালেখির কাজ কারণ আপনার আমার লেখা খাতায়, বইয়ের পাতায় কিংবা সোশাল একাউন্টে যেখানেই লিখে রাখি না কেন তা আপডেট আর যত্নে না রাখলে নষ্ট হয়েই যাবে। আর একটা সময় পর তো অবশ্যই মানুষ পড়া বন্ধ করে দেবে। কিন্তু ব্লগে লেখা যা কিনা সার্চ ইঞ্জিনে থাকবে আপনার পাঠকের কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই , পৃথিবীর যেকোন প্রান্ত থেকে আপনার লেখা পড়া হচ্ছে এমনকি তখনও যখন আপনি পৃথিবীতে নেই। তাই ব্লগ বলতে এমন এক লেখাকে বোঝায় যা ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত। blog শব্দের শুরুই হয়েছে web+log থেকে।

ইন্টারনেটে ৩০০ শব্দেরও ব্লগ আছে তবে রেংকিং  ,পাঠক প্রিয়তা ইত্যাদির প্রতি খেয়াল লেখা একটা মানসম্মত ব্লগ শুরু হয় ১০০০ শব্দ থেকে। অবশ্যই শেখার উদ্দেশ্যই হয় নিজের কথা অন‍্যের সামনে তুলে ধরা , আর যে লেখা আমরা চাইনা অন্য  কেউ পড়বে সেটা হয়ে যায় ডায়েরি। তাই কখনই অন্যের  অনুমতি ছাড়া ডায়েরি দেখা উচিত নয়। বিভিন্ন ধরনের ব্লগ অনুযায়ী লেখা ফরমেট আলাদা হয়ে থাকে। তবে একটা উৎকৃষ্ট মানের ব্লগে যা থাকে

১. অর্থপূর্ণ ও মানানসই হেডিং

২. সাবলীল ও সহজ ভাষা

৩. সাবহেডিং সহ প‍্যারা বা অনুচ্ছেদ

৪. তথ‍্যমূলক কনটেন্ট

৫. আকর্ষণীয় ছবি গ্রাফিক্স

৬. অর্গানিক লেখা

৭. বুলেট, নাম্বারিং, বোল্ড টেক্সট

৮. একটি আদর্শিক সমাপ্তি।

ব্লগ লেখার ক্ষেত্রে সবচেয়ে যে সুবিধা থাকে সেটা হচ্ছে লেখক তার পাঠকের উদ্দেশ্যে লেখে তাই সবসময় মধ‍্যম পুরুষ বা 2nd person কে সম্বোধন করে লেখা। তাই পাঠকের পড়ার সময় মনে হয় যেন লেখক যেন ঠিক তার সামনেই বসে আছে। তাই স্বাভাবিক কথা বলার শব্দগুলো দিয়েই ব্লগ লেখা হয় যেখানে কোন গাম্ভীর্য নাই। আর এই অনুভূতি থেকেই পাঠককে বাধ‍্য করে দেয় লেখকের সাথে কথা বলতে।

0 replies

Leave a Reply

Want to join the discussion?
Feel free to contribute!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *